রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩

ছোট ছোট অনেক কিছুই এত্ত ভালো লাগার  অনুভূতি জুড়ে দিতে পারে পুরো চেতনায় , অসাধারণ !!
নিজের তোলা ফটো ফ্রেমে বাঁধাই করানোর পর দোকানির হাত থেকে যখন নিজের হাতে নিলাম ঠিক ওই মুহুর্তের অনুভূতিটা যে কেমন ছিল তা প্রকাশের ঠিক ঠিক শব্দটাই পাচ্ছিনা  খুঁজে ...সুখী , পরিতৃপ্ত... :-)
অনেক দিন ...না অনেক বছর পর ..একটা অনন্য মুহুর্ত !

একটা  ছবি শাবু  ভাইয়ের ছেলের , ওর দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকীর উপহার হিসেবে । দ্বিতীয়  ছবিটা  এবারের বৈশাখে তোলা একটা বাচ্ছা ছেলের ছবি .. টি এস টি  তে: "আমি  ১০০%  বাঙালী", ছেলেটার নাম জানা হয়নি  !

মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১২

ছোট, তবে  দারুন হয়েছে ; একটা নরম তুলতুলে ব্যপার আছে 

রবিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১২

প্রচন্ড মাথা ব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙ্গলো , কাল রাত থেকেই ব্যথা , নাপা খেয়ে নিলেই পারতাম , এসিডিটি'র ঝমেলা হতে  পারে ভেবে খাইনি , কিন্তু শেষ পর্যন্ত খেতেই হলো তাও আবার পুরো খালি পেটে !  নাপা পেটে  যাওয়ার একটু পরেই মাথাব্যথা কমতে শুরু করলো, কি আশ্চর্য্য আবিষ্কার !

বেশ কিছুদিন  ধরে শরীর খারাপ ,না বিগড়ালে  বোঝাই যায়না যে শরীর নামে একটা ব্যপার আছে ; বেশ কয়েক দফা ডাক্তার দেখানো হয়ে গেছে , বড় ডাক্তার ৩ মাসের ওষুধ দিয়েছে, কিন্তু ওষুধ কাজ করছে কিনা বুঝতে পারছিনা, গত দুইদিন হলো বেশ ঝামেলায় আছি ।  কলেজে Biology পড়েছিলাম, তাও প্রায় ১৪/১৫ বছর আগে,  প্রানীদের শ্রেনিবিন্নাস, স্পেসিস , হমোসেপিয়েন্স ...কত্ত কি ! মানুষ ও একটা প্রাণী ...এটাতো মনেই থাকেনা; শরীরযন্ত্রে কতো কিই না ঘটছে প্রতিদিন ।

হাসপাতাল কিংবা ডাক্তারের চেম্বার, কার যেতে ভাল্লাগে ? আমি নিশ্চিত , করুই না , তা যত্ত গোছানো আর পরিপাটিই হোকনা তা ! কিন্তু কপালে থাকলে ঠেকায় কে?...

সপ্ন-দুঃসপ্ন নিরাশা -আশা প্রাপ্তি -অপ্রাপ্তি দুঃখ-সুখ এই সবকিছু ছাপিয়ে মনে পড়ে যায় যে শরীরযন্ত্র নামেও একটা ব্যপার আছে !

সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২

আজ মিছিমিছিই  অফিস কামাই করলাম , কি আর করব , এই ছিল যে মনে । বাতাসে শীতের সুঘ্রান নিয়ে  ঘুম ভাঙ্গলো সকালে, মনে হচ্ছিল শৈশবের কোনো এক শীতের সকাল হঠাত করেই ফিরে এল । বাংলা মাস মনে থাকেনা  ঠিকমত, তবে সেপ্টেম্বর-নভেম্বর সময়টাতে খুব অদ্ভুতভাবে প্রকৃতি যে পাল্টাতে শুরু করে তা বেশ ভালো করেই অনুভব করতে পারি ।

আমি কিছুতেই উত্তর খুঁজে পাইনা, কেন শৈশবের শীতকালগুলোই এত্ত করে ঘুরপাক খায় মনে ...?

      

মঙ্গলবার, ২ অক্টোবর, ২০১২

মাঝরাতে সিলিং fan-এর কুটকুট আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেল , মনে হচ্ছিল fan টা বুঝি তক্ষুনি খুলে পরবে , এর পর থেকে আর ঘুম আসছেনা ।  রেগুলেটর এর নব ঘুরিয়া কমানোর চেষ্ঠা করলাম , কিন্তু রেগুলেটর ঠিকমত কাজ করছেনা , হয় একদমি ঘুরছেনা  নয়তো বিচ্ছিরি একটা শব্দ করে ঘুরছে, মহা যন্ত্রণা ! একটু ঘুমানোর চেষ্ঠা করলাম; হঠাত মনে হলো বাইরে অনেক চিত্কার চেচামিচি , মনে হচ্ছিল কোনো বড় রকমের ঝামেলা চলছে , কিন্তু  জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি একটা truck এসেছে  আর এই  নিয়েই লোকগুলোর চেচামিচি; এবার ঘুমের পালা শেষ , আর ঘুম আসছেনা; রাত ৪ টার সময় কি যে করি !!

অনেকক্ষন গড়াগড়ি করে কাটলো ...

কিছু সময় পার হবার  পর বুঝলাম খিদে পেয়েছে; গতকাল রাতে ভাত খাইনি, চিকেন টিক্কা আর নান খেয়েছি, ভাত না খেলে কেন যেন ভাল্লাগেনা , বাঙালি ! সাড়ে পাচটা নাগাদ রান্নাঘরে ঢুকে ভাত চড়ালাম rice cooker  এ , সাথে সিম আর আলু , ভর্তা বানাবো । ঝুরি থেকে আলু নেয়ার সময় খেয়াল করলাম বেশ কিছু আলু তেলাপোকায় কেটে নষ্ট করেছে , তেলাপোকা আলুও যে খায় জানা ছিলনা ; একটা অধ খাওয়া আলুর ভেতর থেকে একটা বাচ্চা তেলাপোকা ছুটে বের হয়ে আসল, তবে কি আলু তেলাপোকার আবাসস্থলও ?

ভাবছিলাম রান্নাঘর আমাদের জীবনে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা , এই পৃথিবীর অগুন্তি সুখ-দুঃখের গল্পের সাথে জড়িয়ে ।      

বুধবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১২

কারু সাথে ঝগড়া করার একটা পটভুমিতো  চাই, না ঠেকলেও কেন জানি মাঝে মাঝে এমনি ঝগড়া করতে ইচ্ছে করে; মানুষ খুঁজে পাইনা । ভেবে আমি আশ্চর্য হই যে এই জীবনে কতবার ঝগড়া করেছি তা ঠিক হাতে গুনেই বলে দিতে পারব!  তবে আমি এটা জানি নিশ্চিত যে স্বাভাবিক বাচার জন্যে এটা একটা অপরিহার্য কাজ ।  


    

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১২

দুই দিন ছুটির পর অফিস, ভিন গ্রহ থেকে ঘুরে এসে নিজের বাসভুমকেই অচেনা লাগার মত ; কিনতু এর বাইরে আর কতকটা সময়ই বা পাওয়া যাই নিজের জন্যে? খুব বেশি না মুটেও, গতানুগতিক মধ্যবিত্ত জীবনে এই অফিসই  বুঝি সার, ঘুরপাক  খেতে খেতে কেবল একই বৃত্তে আনাগোনা । সুনীলের  " চাকরির জন্যে পড়ালেখা, বাচার জন্যে চাকরি আর মরার জন্যে বাচার কোনো মানেই হয়না "  কথাটার মধ্যে যে ব্যঙ্গ রয়েছে তার আঁচ কোনো ভাবেই এড়ানো যায়না । মনে হয় এই চাকরিটা জীবনের মধ্যে আরেকটা  জীবন, পৃথিবীর মধ্যে আরেকটা পৃথিবী,  খরচা হয়ে যাওয়া জীবন ।